ٱقْرَأْبِٱسْمِرَبِّكَٱلَّذِىخَلَقَ﴿١﴾
iq'ra bi-is'mi rabbika alladhī khalaqa
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন,
সূরা 96 · 19 আয়াত
سورة العلق
রক্তপিণ্ড
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ
ٱقْرَأْبِٱسْمِرَبِّكَٱلَّذِىخَلَقَ﴿١﴾
iq'ra bi-is'mi rabbika alladhī khalaqa
পাঠ কর তোমার প্রতিপালকের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন,
خَلَقَ ٱلْإِنسَـٰنَ مِنْ عَلَقٍ ﴿٢﴾
khalaqa l-insāna min ʿalaqin
সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট-বাঁধা রক্তপিন্ড হতে।
ٱقْرَأْ وَرَبُّكَ ٱلْأَكْرَمُ ﴿٣﴾
iq'ra warabbuka l-akramu
পাঠ কর, আর তোমার রব বড়ই অনুগ্রহশীল।
ٱلَّذِى عَلَّمَ بِٱلْقَلَمِ ﴿٤﴾
alladhī ʿallama bil-qalami
যিনি শিক্ষা দিয়েছেন কলম দিয়ে,
عَلَّمَ ٱلْإِنسَـٰنَ مَا لَمْ يَعْلَمْ ﴿٥﴾
ʿallama l-insāna mā lam yaʿlam
শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানত না,
كَلَّآ إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لَيَطْغَىٰٓ ﴿٦﴾
kallā inna l-insāna layaṭghā
না (এমন আচরণ করা) মোটেই ঠিক নয়, মানুষ অবশ্যই সীমালঙ্ঘন করে,
أَن رَّءَاهُ ٱسْتَغْنَىٰٓ ﴿٧﴾
an raāhu is'taghnā
কারণ, সে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে,
إِنَّ إِلَىٰ رَبِّكَ ٱلرُّجْعَىٰٓ ﴿٨﴾
inna ilā rabbika l-ruj'ʿā
নিঃসন্দেহে (সকলকে) ফিরে যেতে হবে তোমার প্রতিপালকের দিকে।
أَرَءَيْتَ ٱلَّذِى يَنْهَىٰ ﴿٩﴾
ara-ayta alladhī yanhā
তুমি কি তাকে (অর্থাৎ আবূ জাহলকে) দেখেছ যে নিষেধ করে,
عَبْدًا إِذَا صَلَّىٰٓ ﴿١٠﴾
ʿabdan idhā ṣallā
এক বান্দাহকে [অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (সা.)-কে] যখন সে নামায আদায় করতে থাকে?
أَرَءَيْتَ إِن كَانَ عَلَى ٱلْهُدَىٰٓ ﴿١١﴾
ara-ayta in kāna ʿalā l-hudā
তুমি কি ভেবে দেখেছ (যাকে নিষেধ করা হচ্ছে) সে যদি সৎ পথে থাকে,
أَوْ أَمَرَ بِٱلتَّقْوَىٰٓ ﴿١٢﴾
aw amara bil-taqwā
আর তাকওয়া অবলম্বনের নির্দেশ দেয় (তাহলে তার এ কাজগুলো কেমন মনে কর?)
أَرَءَيْتَ إِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰٓ ﴿١٣﴾
ara-ayta in kadhaba watawallā
তোমার কী ধারণা যদি সে (অর্থাৎ নিষেধকারী ব্যক্তি) সত্যকে অস্বীকার করে আর মুখ ফিরিয়ে নেয় (তাহলে তার এ কাজ কেমন মনে কর?)
أَلَمْ يَعْلَم بِأَنَّ ٱللَّهَ يَرَىٰ ﴿١٤﴾
alam yaʿlam bi-anna l-laha yarā
সে কি জানে না যে, আল্লাহ দেখেন?
كَلَّا لَئِن لَّمْ يَنتَهِ لَنَسْفَعًۢا بِٱلنَّاصِيَةِ ﴿١٥﴾
kallā la-in lam yantahi lanasfaʿan bil-nāṣiyati
না, (সে যা করতে চায়) তা কক্ষনো করতে পারবে না, সে যদি বিরত না হয় তাহলে আমি অবশ্যই তার মাথার সামনের চুলগুচ্ছ ধরে হেঁচড়ে নিয়ে যাব-
نَاصِيَةٍ كَـٰذِبَةٍ خَاطِئَةٍ ﴿١٦﴾
nāṣiyatin kādhibatin khāṭi-atin
মিথ্যাচারী পাপাচারী চুলগুচ্ছ
فَلْيَدْعُ نَادِيَهُۥ ﴿١٧﴾
falyadʿu nādiyahu
কাজেই সে তার সভাষদদের ডাকুক।
سَنَدْعُ ٱلزَّبَانِيَةَ ﴿١٨﴾
sanadʿu l-zabāniyata
আমিও ‘আযাবের ফেরেশতাদেরকে ডাকব,
كَلَّا لَا تُطِعْهُ وَٱسْجُدْ وَٱقْتَرِب ۩ ﴿١٩﴾
kallā lā tuṭiʿ'hu wa-us'jud wa-iq'tarib
না, তুমি কক্ষনো তার অনুসরণ করো না, তুমি সাজদাহ কর আর (আল্লাহর) নৈকট্য লাভ কর।[সাজদাহ]